মন্দির
প্রতি রূপের একটি করিয়া প্রধান মন্দির, সঙ্গে আর একটি উল্লেখযোগ্য স্থান।
কালী — দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি
দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি
দক্ষিণেশ্বর, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ — গঙ্গার পূর্ব পাড়ে, বালি ব্রিজের কাছে
রানি রাসমণি ১৮৫৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। বিগ্রহের নাম ভবতারিণী। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস এখানেই পূজারি ছিলেন এবং মায়ের দর্শন পান।
কালীঘাট মন্দির — কালীঘাট, কলকাতা — আদিগঙ্গার তীরে। একান্ন সতীপীঠের একটি; সতীর ডান পায়ের আঙুল এখানে পড়েছিল বলে বিশ্বাস।
দক্ষিণেশ্বর — উইকিপিডিয়া · কালীঘাট — উইকিপিডিয়া
মন্দির

ছবি: Nikkul (ইংরাজি উইকিপিডিয়া) · CC BY-SA 2.0 · কমন্স

ছবি: Alan Perry · CC BY 3.0 · কমন্স
বিগ্রহ

ছবি: কমন্স ব্যবহারকারী ‘Jagadhatri’ · CC BY-SA 3.0 · কমন্স
তারা — তারাপীঠ মন্দির
তারাপীঠ মন্দির
তারাপীঠ, রামপুরহাট, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ — দ্বারকা নদীর তীরে
শক্তিপীঠ ও সিদ্ধপীঠ। মন্দিরের পাশেই মহাশ্মশান, যেখানে বামাক্ষ্যাপা সাধনা করেছিলেন। গর্ভগৃহের শিলামূর্তিতে মা শিবকে স্তন্য দিচ্ছেন; তার উপরে সাধারণত ধাতুর ত্রিনয়না মুখাবয়ব পরানো থাকে — দর্শনে সেটিই চোখে পড়ে।
বামাক্ষ্যাপার সমাধিমন্দির, তারাপীঠ — মহাশ্মশানের পাশে, দ্বারকা নদীর ধারে — যেখানে বামাক্ষ্যাপার সাধনার আসন ছিল।
মন্দির

ছবি: Pinakpani · CC BY-SA 4.0 · কমন্স

ছবি: Tarunsamanta · CC BY-SA 4.0 · কমন্স
বিগ্রহ

তারাপীঠে মা তারা — রূপার মুখাবরণ, জবা ও পদ্মে সাজ
ছবি: অজ্ঞাত
ষোড়শী — ত্রিপুরসুন্দরী মন্দির (মাতাবাড়ি)
ত্রিপুরসুন্দরী মন্দির (মাতাবাড়ি)
উদয়পুর, গোমতী জেলা, ত্রিপুরা
একান্ন সতীপীঠের একটি — সতীর ডান পা এখানে পড়েছিল বলে বিশ্বাস। ১৫০১ সালে মহারাজ ধন্যমাণিক্য প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দির যে টিলার উপর, তার গড়ন কচ্ছপের পিঠের মতো — তাই ‘কূর্মপীঠ’ নামেও পরিচিত। অনেকের মতে রাজ্যের নাম ত্রিপুরা এই দেবীর নাম থেকেই।
কামাখ্যা মন্দির, নীলাচল পাহাড়, গুয়াহাটি — মূল মন্দিরের দেবী কামাখ্যাকেই ত্রিপুরসুন্দরী (ষোড়শী) রূপে পূজা করা হয়; মাতঙ্গী ও কমলাও ওই গর্ভগৃহেই পূজিতা।
ত্রিপুরসুন্দরী মন্দির — উইকিপিডিয়া
মন্দির

ছবি: Soman (অনুমিত) · CC BY-SA 3.0 · কমন্স

ছবি: Yash raina · CC BY-SA 4.0 · কমন্স
বিগ্রহ

ছবি: Bodhisattwa · CC BY-SA 4.0 · কমন্স

ছবি: Bodhisattwa · CC BY-SA 4.0 · কমন্স
ভুবনেশ্বরী — ভুবনেশ্বরী মন্দির
ভুবনেশ্বরী মন্দির
নীলাচল পাহাড়, কামাখ্যা, গুয়াহাটি, আসাম
নীলাচল পাহাড়ের চূড়ায়, মূল কামাখ্যা মন্দির থেকে খানিকটা উপরে। এখান থেকে ব্রহ্মপুত্র আর গুয়াহাটি শহরের অনেকটা দেখা যায়। নীলাচলের দশমহাবিদ্যা মন্দিরগুলির একটি।
ভুবনেশ্বরী মন্দির, উদয়পুর, ত্রিপুরা — গোমতী নদীর তীরে, সতেরো শতকে ত্রিপুরার মাণিক্য রাজাদের গড়া মন্দির। রবীন্দ্রনাথের ‘রাজর্ষি’ ও ‘বিসর্জন’-এর পটভূমি এই মন্দির।
মন্দির

ছবি: Rohit Goswami · CC BY-SA 4.0 · কমন্স

ছবি: Kanad Sanyal · CC BY-SA 4.0 · কমন্স
বিগ্রহ
বিগ্রহের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
ভৈরবী — ভৈরবী মন্দির, কামাখ্যা
ভৈরবী মন্দির, কামাখ্যা
নীলাচল পাহাড়, গুয়াহাটি, আসাম
দশমহাবিদ্যার মন্দিরগুলির একটি; কামাখ্যা চত্বরে ভুবনেশ্বরী মন্দিরের কাছেই।
ত্রিপুরাভৈরবী ঘাট, বারাণসী — গঙ্গার এই ঘাটের নাম দেবী ত্রিপুরাভৈরবীর নামে; ঘাটের কাছেই তাঁর মন্দির।
মন্দির
এই মন্দিরের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
বিগ্রহ
বিগ্রহের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
ছিন্নমস্তা — ছিন্নমস্তিকা মন্দির, রজরপ্পা
ছিন্নমস্তিকা মন্দির, রজরপ্পা
রজরপ্পা, রামগড় জেলা, ঝাড়খণ্ড — দামোদর ও ভেড়া নদীর সঙ্গমে
ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত ছিন্নমস্তা মন্দির; শক্তিপীঠ বলে গণ্য। প্রাচীন মন্দির, আসাম-ধারার স্থাপত্য। বাঙালি ভক্তদের মধ্যেও অত্যন্ত জনপ্রিয়।
ছিন্নমস্তা মন্দির, চিন্তপূর্ণী, হিমাচল প্রদেশ — ছিন্নমস্তিকা দেবী নামে পূজিতা; একান্ন পীঠের একটি বলে বিশ্বাস।
মন্দির

ছবি: Kuarun · CC BY-SA 3.0 · কমন্স

ছবি: Flashthomsom · CC0 · কমন্স
বিগ্রহ
বিগ্রহের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
ধূমাবতী — ধূমাবতী মন্দির
ধূমাবতী মন্দির
ধূপচণ্ডী, বারাণসী, উত্তরপ্রদেশ
ভারতের সবচেয়ে পরিচিত ধূমাবতী মন্দিরগুলির একটি; কাশীর পুরনো পাড়ার সরু গলির ভিতরে ছোট মন্দির।
ধূমাবতী মন্দির, দাতিয়া, মধ্যপ্রদেশ — পীতাম্বরা পীঠ চত্বরে, বগলামুখী মন্দিরের পাশে; প্রতিষ্ঠা ১৯৭৮ সালে। প্রচলিত নিয়মে সধবা নারীরা এখানে দেবীর দর্শন করেন না।
মন্দির
এই মন্দিরের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
বিগ্রহ
বিগ্রহের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
বগলামুখী — পীতাম্বরা পীঠ
পীতাম্বরা পীঠ
দাতিয়া, মধ্যপ্রদেশ
দেশের সবচেয়ে বিখ্যাত বগলামুখী মন্দির। ১৯৩৫ সালে এক সন্ন্যাসী এটি প্রতিষ্ঠা করেন — ভক্তদের কাছে তিনি ‘স্বামীজি মহারাজ’ নামে পরিচিত (স্বামী বিবেকানন্দ নন)। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের সময় এখানে বিশেষ যজ্ঞ হয়েছিল — এই কাহিনী মন্দিরকে সর্বভারতীয় খ্যাতি দিয়েছে। চত্বরেই ধূমাবতী মন্দির (১৯৭৮)।
বগলামুখী মন্দির, বনখণ্ডী, কাংড়া, হিমাচল প্রদেশ — পাহাড়ি ধারার মন্দির; হলুদ আর হলুদ রঙের ফুল দিয়ে পূজা হয়।
মন্দির

ছবি: Work2win · CC BY-SA 4.0 · কমন্স

ছবি: Chris7861 · CC0 · কমন্স
বিগ্রহ
বিগ্রহের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
মাতঙ্গী — কামাখ্যা মন্দির (মাতঙ্গী)
কামাখ্যা মন্দির (মাতঙ্গী)
নীলাচল পাহাড়, কামাখ্যা, গুয়াহাটি, আসাম
কামাখ্যায় মাতঙ্গীর আলাদা মন্দির নেই — মূল মন্দিরের গর্ভগৃহেই, কমলার সঙ্গে, তিনি পূজিতা। বাংলায় ও আসামে মাতঙ্গীর স্বতন্ত্র মন্দির বিরল; বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি দশমহাবিদ্যার সমষ্টিগত মন্দিরে পূজিতা।
রাজমাতঙ্গী মন্দির, বারাণসী ও দক্ষিণ ভারতের শ্রীবিদ্যা পীঠগুলি — শ্রীবিদ্যার ধারায় মাতঙ্গী ‘শ্যামলা’ নামে ললিতার মন্ত্রিণী রূপে পূজিতা।
মন্দির
এই মন্দিরের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
বিগ্রহ
বিগ্রহের চিত্র পাওয়া যায় নাই।
কমলা — মহালক্ষ্মী মন্দির
মহালক্ষ্মী মন্দির
কোলাপুর, মহারাষ্ট্র
দেশের প্রধান মহালক্ষ্মী পীঠ; শক্তিপীঠ বলে গণ্য। এখানে দেবী মহালক্ষ্মী বা অম্বাবাই নামে পূজিতা — দশমহাবিদ্যার কমলা আর পুরাণের মহালক্ষ্মী একই শক্তির দুই ধারা।
কামাখ্যা মন্দির, নীলাচল, গুয়াহাটি — কামাখ্যায় কমলার আলাদা মন্দির নেই — মূল মন্দিরের গর্ভগৃহেই, মাতঙ্গীর সঙ্গে, তিনি তান্ত্রিক রূপে পূজিতা।
মহালক্ষ্মী মন্দির, কোলাপুর — উইকিপিডিয়া
মন্দির

ছবি: A.Murali · CC0 · কমন্স

ছবি: A.Murali · CC0 · কমন্স
বিগ্রহ

ছবি: Tanmaykelkar (ইংরাজি উইকিপিডিয়া) · CC BY-SA 3.0 · কমন্স
দুর্গা — বাংলার বনেদি বাড়ির দুর্গাদালান
বাংলার বনেদি বাড়ির দুর্গাদালান
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে — শোভাবাজার রাজবাড়ি, কলকাতা
বাংলায় দুর্গার স্থায়ী মন্দিরের চেয়ে বারোয়ারি ও বাড়ির পূজার ধারা প্রবল। ১৭৫৭ সাল থেকে শোভাবাজার রাজবাড়ির পূজা কলকাতার প্রাচীনতমগুলির একটি।
বিমলা মন্দির, পুরী ও কনক দুর্গা মন্দির, বিজয়ওয়াড়া — পুরীর জগন্নাথ মন্দির চত্বরে বিমলা শক্তিপীঠ; দক্ষিণে কনক দুর্গা প্রধান দুর্গাপীঠ।
মন্দির
বিগ্রহ

ছবি: Deepak Kumar Singh · CC BY-SA 4.0 · কমন্স

ছবি: Joydeep · CC BY-SA 3.0 · কমন্স
জগদ্ধাত্রী — চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজা
চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজা
চন্দননগর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
স্থায়ী মন্দিরের চেয়ে এখানে পূজার ঐতিহ্যই প্রধান। চন্দননগরের আলোকসজ্জা ও শোভাযাত্রা বিশ্ববিখ্যাত; পূজা কার্তিকী শুক্লা নবমীতে।
কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির জগদ্ধাত্রী পূজা, নদিয়া — প্রচলিত বিশ্বাসে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের প্রবর্তিত; তবে তাঁর আগেও নদিয়ায় জগদ্ধাত্রীর উপাসনা ছিল (কাহিনীর পাতায় বিস্তারিত)।
মন্দির

ছবি: Sourabh.biswas003 · CC BY-SA 4.0 · কমন্স

ছবি: Sourabh.biswas003 · CC BY-SA 4.0 · কমন্স
বিগ্রহ

ছবি: Arpansrkr · CC BY-SA 3.0 · কমন্স
